• সারাদেশ

    নোয়াখালীর তিন উপজেলায় নির্বাচিত হলেন যারা

      আজকের খবর ১ জুন ২০২৪ , ৮:০২:৩৬ প্রিন্ট সংস্করণ

    মোঃ আবুল বাসার,নোয়াখালী,প্রতিনিধিঃষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে নোয়াখালীর তিনটি উপজেলায় ভোট সম্পন্নের পর বেসরকারি ফলাফলে জয়ী ব্যক্তিদের তিনজনই আওয়ামী লীগের নেতা।অস্বাভাবিক অনিয়মের অভিযোগে ভোটের ফলাফল প্রত্যাখান করেছে কোম্পানীগঞ্জের ২ হেভিওয়েট প্রার্থী। পরাজিত প্রার্থীরাও আওয়ামী লীগ নেতা। নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন সহ কয়েকজন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন বর্জন করে।তারা ওবায়দুল কাদের,আওয়ামী লীগ এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
    বুধবার (২৯ মে) রাতে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন স্ব স্ব উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার। এর আগে, সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এসব উপজেলায় ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণ করা হয়।
    সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম সামছুদ্দিন জেহান আনারস প্রতীকে ৪৭ হাজার ৫৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থক এম এইচ শওকত রেজা চৌধুরী আরমান কাপ পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৭৭৬ ভোট।
    বেগমগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাহেদ শাহরিয়ার দোয়াত কলম প্রতীকে ৩৬ হাজার ৭৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন আজিম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৭২৫ ভোট।
    অপরদিকে, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য গোলাম শরীফ চৌধুরী পিপুল আনারস প্রতীকে ৪৮হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৮৬৯ ভোট।
    ,নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই মোঃ শাহদাত হোসেন ও আরেক প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল। তাদের সাথে একই অভিযোগে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী ফাতেমা বেগম পারুল এবং মামুন হোসেন । ভোট গ্রহণ শুরুর দু’ ঘণ্টা যাওয়ার আগেই ৭১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪০টি দখল করা,এজেন্ট ফরম ছিঁড়ে ফেলে তাদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে সিল মারার অভিযোগে তারা ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এ সময় তারা এ ভোট বাতিল করে নতুন নির্বাচনের দাবি করেন।

    আরও খবর

    Sponsered content